প্রায় ২ লাখ টন চিনি আমদানির পরিকল্পনা ইন্দোনেশিয়ার

আসন্ন রমজান ঘিরে ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠেছে ইন্দোনেশিয়ার চিনির বাজার।

আসন্ন রমজান ঘিরে ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠেছে ইন্দোনেশিয়ার চিনির বাজার। তাই অভ্যন্তরীণ মজুদ বৃদ্ধিতে প্রায় ২ লাখ টন পরিশোধিত চিনি আমদানির পরিকল্পনা করছে দেশটির সরকার। ইন্দোনেশিয়ার ন্যাশনাল ফুড এজেন্সি সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। খবর রয়টার্স।

ন্যাশনাল ফুড এজেন্সির দেয়া তথ্যানুযায়ী, ইন্দোনেশিয়া চলতি বছর ২৬ লাখ টন পরিশোধিত চিনি উৎপাদন করতে পারে। এ সময় দেশটির চাহিদার পরিমাণ হতে পারে ২৮ লাখ ৪০ হাজার টন। ফেব্রুয়ারির শুরুতে ইন্দোনেশিয়ায় সাদা চিনির মজুদ ছিল ৮ লাখ ৪২ হাজার টন।

এক বিবৃতিতে ন্যাশনাল ফুড এজেন্সির প্রধান আরিফ প্রাসেত্যো আদি বলেন, ‘উৎপাদন ঘাটতির কারণে এ আমদানি নয়। বরং আমরা সরকারি মজুদ বাড়াতে চাই।’

ইন্দোনেশিয়ার স্ট্যাটিসটিকস অফিস জানায়, ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে দেশটিতে সাদা চিনির দাম ছিল কেজিপ্রতি গড়ে ১৮ হাজার ৩৬৫ ইন্দোনেশিয়ান রুপিয়া (১ ডলার ১২ সেন্ট)। এটি সরকারের নির্ধারিত সর্বোচ্চ মূল্যের তুলনায় প্রায় ৫ শতাংশ বেশি।

আরিফ প্রাসেত্যো জানান, ইন্দোনেশিয়ার বর্তমান চিনির মজুদ পাঁচ মাসের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে। আমদানির চুক্তি অনুযায়ী, বছরজুড়ে চিনি সরবরাহ করবে রফতানিকারক দেশগুলো।

আরও